fbpx
মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন

গোড়াপচা রোগে ঝরছে পান, বিপাকে চাষি

অনলাইন
  • আপডেট টাইমঃ শুক্রবার, ৮ অক্টোবর, ২০২১
  • ৯ বার পঠিত

করোনা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পান চাষ করে আবার বিপাকে পড়েছেন চাষিরা। কখনো টানা বৃষ্টি আবার কখনো খরায় হাকিমপুরের পানের বরজে দেখা দিয়েছে গোড়াপচা রোগ। পচন ধরে পান গাছ শুকিয়ে মরে যাচ্ছে। ঝরে পড়ছে পাতা। বিভিন্ন ওষুধ প্রয়োগ করেও কাজ হচ্ছে না। অনেকে পুঁজি হারানোর ভয়ে বরজ তুলে ফেলছেন। ফলে কাজ হারাচ্ছেন এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বহু শ্রমিক। কৃষি অফিস রোগ মুক্তির ব্যাপারে পানচাষিদের বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছে বলে জানান হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. মমতাজ সুলতানা।

হাকিমপুর সীমান্তবর্তী ঘাসুড়িয়া, ঘনশ্যামপুর ও মাধবপাড়ায় বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে পানের বরজ গড়ে উঠেছে। এ অঞ্চলের অনেক মানুষ পানচাষের ওপর নির্ভরশীল। ঋণ নিয়ে অনেক বেকার যুবকও পানচাষে ঝুঁকেছেন। কিন্তু বরজে রোগের আক্রমণে দিশাহারা তারা। ঘাসুড়িয়ার পানচাষি আবদুর রহমান ও আবদুল লতিফ বলেন, করোনার ধকল সামলে উঠে বরজ করলেও এবার পানপাতা ও গাছের গোড়াপচাসহ নানা রোগবালাই ছড়িয়ে পড়েছে। পান পাতা কালো দাগ ও হলুদ রঙ ধরে শুকিয়ে যাচ্ছে। গোড়ায় রোগ ধরে পুরো গাছ পচে যাচ্ছে। গাছ থেকে ঝরে পড়ছে পান। যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করে বরজ করেছি, পান বিক্রি করে সেই টাকা উঠানো সম্ভব হচ্ছে না। সবকিছুর দাম বেড়েছে। বরজের পান উঠাতে প্রতিদিন এক হাজার থেকে ১২০০ টাকা খরচ পড়ে। কিন্তু বাজারে পান বিক্রি করতে হচ্ছে ৬০০-৭০০ টাকায়। লোকসানের কারণে বরজ তুলে দেওয়া ছাড়া উপায় নেই। 

বরজের কয়েকজন শ্রমিক বলেন, পচন ধরে বরজের পান পড়ে যাচ্ছে। আগে কয়েকশ শ্রমিক প্রতিদিন বরজে পান উঠানোসহ বিভিন্ন কাজ করতেন। এখন সাতদিনে একদিন কাজ হয়। 

হাকিমপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ড. মমতাজ সুলতানা বলেন, হাকিমপুরে দিন দিন পানের আবাদ বাড়ছে। বর্তমানে ৩৭ হেক্টর জমিতে ৩৬৫টি বরজ রয়েছে। আবহাওয়াগত কারণে এবার প্রচুর বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির পানি জমে থাকায় পানের কান্ডপচা রোগের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। চাষিদের পরিচ্ছন্নভাবে চাষ করাসহ জৈব সার ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছি। খৈল ব্যবহার করা যাবে না। পরামর্শ অনুযায়ী তারা কাজ করলে সুফল মিলবে বলে আশা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর...

এনএএন টিভি লাইভ

%d bloggers like this: