fbpx
রবিবার, ০৯ মে ২০২১, ১২:৪৬ অপরাহ্ন

লকডাউনে রিকশা ও সিএনজির রাজত্ব

অনলাইন
  • আপডেট টাইমঃ মঙ্গলবার, ৬ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৭ বার পঠিত
NAN TV

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে দেশে সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে সরকার। এই বিধিনিষেধের দ্বিতীয় দিন চলছে। গণপরিবহণ বন্ধ থাকায় মঙ্গলবার সকাল থেকে অফিস ও জরুরি কাজে বাইরে বের হওয়া মানুষদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। রিকশা ও সিএনজি ছাড়া কোনো পরিবহণই পাচ্ছেন না রাজধানীবাসী।

অনেকের অফিস খোলা থাকার কারণে তাদের বাইরে বের হতে হচ্ছে। আবার নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে বা ওষুধের জন্যও কেউ কেউ বের হচ্ছেন।

প্রগতি স্বরণীতে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন হাসনাইন বাবু। তিনি বলেন, আগে সিএনজিতে প্রগতি স্বরণীতে যেতে ভাড়া লাগত ১০০ থেকে ১২০ টাকা। সেখানে এখন সিএনজিতে ভাড়া গুনতে হচ্ছে ২৫০-৩০০ টাকা।

হাসনাইন বলেন, একদিকে গণপরিবহণ বন্ধ আবার সরকারি-বেসরকারি অফিসেও খোলা। যানবাহন নেই বলে আমাদের কষ্টের সীমা নেই। রিকশায় অফিসে আসা-যাওয়া করতে বেশি ভাড়া এখন গুণতে হচ্ছে।

ধানমন্ডি থেকে রিকশায় করে মতিঝিল যাচ্ছিলেন বেসরকারি ব্যাংকের এক কর্মকর্তা।তিনি বলেন, আগে লাগতো ৬০ থেকে ৮০ টাকা, এখন সে ভাড়া দিতে হচ্ছে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। যখন সিএনজি নিতে চাইলাম সে ভাড়া শুনে তো তাজ্জব। ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা ভাড়া চাইলো সিএনজি চালক।

রিকশার চাহিদা বেশি থাকায় রিকশাচালকরাও সুযোগ বুঝে বেশি ভাড়া নিচ্ছেন বলে অভিযোগ যাত্রীদের।

সিএনজিচালিত অটোরিকশায় শেওড়াপাড়া থেকে কারওয়ান বাজারে আসতে আগে ভাড়া লাগতো ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। সেখানে এখন ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা ভাড়া নিচ্ছেন সিএনজি চালকরা।এমনই অভিযোগ করেছেন কাজীপাড়া থেকে কারওয়ান বাজারগামী বেসরকারি চাকরিজীবী ফজলুর রহমান।

মিরপুর ১২ নম্বরে সিএনজি চালান আলআমিন। তিনি বলেন, করোনার কারণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যাত্রীদের সেবা দিচ্ছি। একটু ভাড়া বেশি নিচ্ছি। তবে আমাদের খরচও বেশি হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

Comments are closed.

এ জাতীয় আরো খবর...

এনএএন টিভি লাইভ

%d bloggers like this: